Credit: Laårk Boshoff
চা শুধু আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি জনপ্রিয় পানীয় নয়, বরং এটি শরীরের জন্য নানা স্বাস্থ্য উপকারও বয়ে আনতে পারে। বিশেষ করে গ্রিন টি বা সবুজ চা, যেটি বহু গবেষণায় কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক হিসেবে পরিচিত হয়েছে। গ্রিন টি-তে থাকে ক্যাটেচিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরল এবং মোট কোলেস্টেরল উভয়কেই হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে।
যারা কোলেস্টেরল নিয়ে চিন্তিত, তারা প্রায়ই কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা অনুসরণ করেন, আর সেই তালিকায় গ্রিন টি একটি চমৎকার সংযোজন হতে পারে।
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে গ্রিন টি খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা সামান্য কমে, যদিও সবার ক্ষেত্রে একই রকম ফল পাওয়া যায় না। তারপরও, চা হৃদয়বান্ধব জীবনধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। তবে এর সঙ্গে একটি শর্ত আছে—চায়ে যেন অতিরিক্ত চিনি না মেশানো হয় এবং কোলেস্টেরল নিয়ে কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই আগে ডাক্তার বা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
খাদ্যাভ্যাস ও চা
যদি আপনার কোলেস্টেরল বেশি থাকে, তবে হয়তো আপনি ইতিমধ্যে খাবারে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছেন। ডাক্তাররা সাধারণত বলেন—ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া বাড়ানো, স্যাচুরেটেড ফ্যাট কমানো এবং অতিরিক্ত চিনি বাদ দেওয়া কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এগুলো সত্যিই কার্যকর।
এই পরিবর্তনের পাশাপাশি যদি আপনি কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা তৈরি করেন এবং প্রতিদিন এক কাপ গ্রিন টি অন্তর্ভুক্ত করেন, তাহলে ফলাফল আরও ভালো হতে পারে।
কিন্তু হয়তো আপনি শোনেননি যে এক কাপ চাও এই যাত্রায় সহায়ক হতে পারে। ডায়েটিশিয়ান লিসা অ্যান্ড্রুজ বলেন, “প্রচলিত চা-তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে এবং এটি ক্যান্সার প্রতিরোধের পাশাপাশি কোলেস্টেরল কমাতেও ভূমিকা রাখে।” এ কারণেই চা-কে একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকার অংশ হিসেবে ধরা হয়।
কেন গ্রিন টি এত উপকারী
গ্রিন টি অন্যান্য অনেক চায়ের তুলনায় কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর বলে ধরা হয়। কারণ এতে রয়েছে পলিফেনলস, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এই উপাদানগুলো শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি-র্যাডিকেল থেকে রক্ষা করে এবং হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
আপনার কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা যদি ফল, শাকসবজি ও হোল গ্রেইন দিয়ে সমৃদ্ধ হয়, তাহলে গ্রিন টি যোগ করলে তা আরও ভারসাম্যপূর্ণ হবে।
ডায়েটিশিয়ান ওয়ান না চুন বলেন, “চা পাতার পলিফেনলস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।”
বিভিন্ন গবেষণা এর প্রমাণ দিয়েছে:
- কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে এলডিএল কোলেস্টেরল সামান্য হলেও কমে।
- অন্য গবেষণায়, যেসব মানুষ দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত (যেমন ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগ), তাদের খাদ্য তালিকায় গ্রিন টি যোগ করলে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।
এমনকি কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা অনুসরণকারীরা লক্ষ্য করেছেন যে গ্রিন টি প্রতিদিন খেলে শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়।
একটি ছোট গবেষণার ফলাফল খুবই আকর্ষণীয়। টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং নেফ্রোপ্যাথি (কিডনি রোগ) আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে করা এই গবেষণায় দেখা গেছে—যারা প্রতিদিন খাবারের আগে ৩ কাপ গ্রিন টি পান করেছেন, তাদের মোট কোলেস্টেরল কমে গেছে। যদিও এখানে অন্যান্য খাদ্য উপাদান নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি, তাই বলা যায় না শুধুমাত্র চা-ই একমাত্র কারণ। তবুও ফলাফল আশার আলো দেখায়।
শুধু তাই নয়, একটি মেটা-অ্যানালাইসিস (একাধিক গবেষণা পর্যালোচনা) একই ধরনের ফলাফল দিয়েছে। এতে দেখা গেছে গ্রিন টি পান করলে মোট কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) উভয়ই কমতে পারে। যদিও এই গবেষণারও সীমাবদ্ধতা ছিল—যেমন ঠিক কতটুকু গ্রিন টি খেলে কার্যকর ফল পাওয়া যাবে তা নির্দিষ্ট করা হয়নি।
কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা অনুযায়ী কতটা গ্রিন টি যথেষ্ট?
ডায়েটিশিয়ান ব্রুক বেয়ার্ড বলেন, কোলেস্টেরল কমানোর জন্য কতটা গ্রিন টি খাওয়া উচিত তা স্পষ্ট নয়। এটি ব্যক্তির বয়স, স্বাস্থ্য অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। তবে কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা অনুসরণ করলে প্রতিদিন ২–৩ কাপ গ্রিন টি রাখা যেতে পারে, যা অনেকের জন্য নিরাপদ।
আরেকটি ব্যাপার হলো—গবেষণাগুলোতে অনেক সময় শুধু চা নয়, বরং গ্রিন টি এক্সট্রাক্ট এবং গ্রিন টি দুটোই ব্যবহার করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা হয় ক্যাটেচিনের ঘনত্বে, কারণ এই উপাদানই কোলেস্টেরল কমাতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে বলে মনে করা হয়।
গ্রিন টির বিশেষ উপাদান: ক্যাটেচিন
গ্রিন টি-তে থাকে ক্যাটেচিন, যা এক ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো ইপিগ্যালোক্যাটেচিন গ্যালেট (EGCG)।
ডায়েটিশিয়ান উমো ক্যালিন্স বলেন, “EGCG নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয়েছে এবং এটি কোলেস্টেরল কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।” আপনার কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা-তে গ্রিন টি এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার একত্রে রাখলে হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো ফল পাওয়া যায়।
গ্রিন টি-র প্রভাব একাধিকভাবে কাজ করে:
- এটি এলডিএল কোলেস্টেরলকে অক্সিডাইজড হওয়া থেকে রক্ষা করে। অক্সিডাইজড এলডিএল ধমনিতে প্লাক তৈরি করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
- এছাড়া, গবেষণায় দেখা গেছে গ্রিন টি অন্ত্রে ফ্যাট শোষণ কমিয়ে দেয়। এর ফলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
আরও গবেষণা প্রয়োজন
যদিও অনেক প্রমাণ আছে যে গ্রিন টি কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক, তবে এখনো আরও বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন। কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা ঠিক করার সময় একজন ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া ভালো, যাতে সঠিক পরিমাণে গ্রিন টি ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান থাকে।
ডায়েটিশিয়ান চুন বলেন, “এফডিএ এখনো গ্রিন টি পানীয়কে হৃদরোগ প্রতিরোধে কার্যকর হিসেবে অনুমোদন দেয়নি।” তাই কোলেস্টেরল কমানোর উদ্দেশ্যে গ্রিন টি-কে চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—গ্রিন টি-তে ক্যাফেইন থাকে। পরিমাণমতো খেলে সমস্যা নেই, তবে অতিরিক্ত খেলে মাথাব্যথা, অনিদ্রা, বিরক্তি, মাথা ঘোরা, উদ্বেগ এমনকি হজমের সমস্যাও হতে পারে।
ক্যাফেইনের পরিমাণ নিয়ে জানার জন্য—
- ১ কাপ গ্রিন টি-তে প্রায় ৩০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে।
- অন্যদিকে ১ কাপ কফিতে থাকে প্রায় ১০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন।
অতএব, গ্রিন টিতে ক্যাফেইন তুলনামূলকভাবে কম হলেও সীমা মেনে খাওয়া জরুরি।
হার্বাল টি নিয়েও সাবধান থাকতে হবে। কারণ অনেক ধরনের হার্বাল টি বিভিন্ন ওষুধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করতে পারে—যেমন রক্ত তরলকারী, প্রদাহরোধী, অ্যান্টি-সিজার ওষুধ, অ্যাসপিরিন, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ এবং ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ। তাই আপনি যদি কোনো ওষুধ খান, তবে হার্বাল বা গ্রিন টি খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জানানো জরুরি।
নিরাপদে গ্রিন টি খাওয়ার উপায়
আপনি যদি গ্রিন টি-কে প্রতিদিনের অভ্যাসে আনতে চান, তবে কিছু নিয়ম মানা দরকার:
- চিনি বাদ দিন: চায়ে চিনি দিলে এর উপকার অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়।
- মানসম্মত চা বেছে নিন: এমন ব্র্যান্ড বেছে নিন যারা কীটনাশক ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদান পরীক্ষা করে।
- সার্টিফিকেট দেখুন: অনেক কোম্পানি তাদের ওয়েবসাইটে টেস্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে বা প্রয়োজনে সার্টিফিকেট অফ অ্যানালাইসিস দেয়।
- মান নিয়ন্ত্রণ: যারা cGMP (কারেন্ট গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিসেস) মেনে চলে, তাদের পণ্য কেনা বেশি নিরাপদ।
এগুলো আপনার কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা-র অংশ হিসেবে মানলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমতে পারে।
গ্রিন টি এবং কোলেস্টেরল: প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. কোলেস্টেরল কমাতে গ্রিন টি কতটুকু খাওয়া উচিত?
গ্রিন টির নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত দিনে ২–৩ কাপ গ্রিন টি পান করা নিরাপদ এবং উপকারী ধরা হয়। তবে বয়স, স্বাস্থ্য অবস্থা, ডায়াবেটিস বা কিডনি সমস্যার মতো ব্যক্তিগত বিষয় অনুযায়ী পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে।
২. গ্রিন টি ছাড়া অন্য কোন চা কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক?
হ্যাঁ, কিছু হর্বাল চা যেমন ওলঙ, হিবিস্কাস বা ব্ল্যাক টি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে এগুলোকে গ্রিন টি-এর বিকল্প হিসেবে নয়, বরং সংযোজন হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
৩. চা খাওয়ার সঠিক সময় কখন?
গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের আগে গ্রিন টি খেলে কোলেস্টেরল কমানোর উপকারিতা বেশি হতে পারে। তবে যেকোনো সময় গ্রিন টি পান করা নিরাপদ। রাতে অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত চা এড়ানো উচিত, যাতে ঘুমের সমস্যা না হয়।
৪. ডায়াবেটিস রোগীরা কি গ্রিন টি খেতে পারেন?
হ্যাঁ, সাধারণভাবে টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীরা গ্রিন টি নিরাপদে খেতে পারেন। তবে খাবারের সময় এবং ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে এর প্রভাব সম্পর্কে ডাক্তার বা ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া ভালো।
৫. চায়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী হতে পারে?
অতিরিক্ত গ্রিন টি খেলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে—যেমন:
- মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা
- অনিদ্রা
- উদ্বেগ বা চঞ্চলতা
- হজমের সমস্যা
এছাড়া ক্যাফেইন সংবেদনশীল ব্যক্তিরা এসব সমস্যা বেশি অনুভব করতে পারেন।
৬. গ্রিন টি এবং গ্রিন টি এক্সট্র্যাক্ট কি একই জিনিস?
গ্রিন টি এক্সট্র্যাক্ট হলো গ্রিন টির থেকে নেওয়া একটি কনসেন্ট্রেটেড ফর্ম। এক্সট্র্যাক্টে ক্যাটেচিনের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকে। যদিও উভয়ই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, এক্সট্র্যাক্টের প্রভাব দ্রুত হতে পারে।
৭. চায়ের সঙ্গে চিনি যোগ করলে কি উপকার কমে যায়?
হ্যাঁ, চায়ে অতিরিক্ত চিনি মেশালে গ্রিন টির স্বাস্থ্য উপকার কমে যায়। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সর্বোত্তম ফল পাওয়ার জন্য চিনি না মেশানো চা খাওয়াই ভালো।
৮. গ্রিন টি কি ওষুধের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি করতে পারে?
সাধারণভাবে গ্রিন টি নিরাপদ। তবে কিছু ওষুধ যেমন রক্ত পাতলা করা, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ বা ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে বিরোধ ঘটাতে পারে। তাই নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন এমন ব্যক্তিরা গ্রিন টি খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জানানো উচিত।
বিশেষজ্ঞদের চূড়ান্ত মতামত
চা, বিশেষ করে গ্রিন টি, একটি সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর পানীয় হতে পারে। এটি শুধু শরীরকে সতেজ করে না, বরং কোলেস্টেরল কমাতেও ভূমিকা রাখে। তবে একটি বড় শর্ত হলো—চায়ে যেন কোনোভাবেই অতিরিক্ত চিনি না দেওয়া হয়।
ডায়েটিশিয়ান উমো ক্যালিন্স বলেন, “চা অবশ্যই একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হতে পারে, তবে এটি সুষম খাদ্য ও জীবনধারার সঙ্গে মানিয়ে খাওয়া উচিত।”
তাঁর আরও পরামর্শ—“যদি আপনার কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা বা উদ্বেগ থাকে, তাহলে চা বা গ্রিন টি নিয়মিত খাওয়ার আগে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করুন।”
যারা সঠিকভাবে কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা অনুসরণ করেন, তারা দীর্ঘমেয়াদে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সফল হন।
কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা দিয়ে শুরু করুন স্বাস্থ্যকর জীবন। জানুন 5 amazing facts ও effective গ্রিন টি রুটিন কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখবে।